ট্রেড করুন পিনবার দিয়ে ৮৫ ভাগ সফল হবেন

পিনবার
 
পিনবার হল প্রাইস অ্যাকশান এর একটি রূপ, যা পাওয়া যায় যে কোন টাইমফ্রেমে যে কোন মার্কেটে। পিনবারের ফুল নাম হচ্ছে pinocchio bar,এই নামটি দেয়ার কারণ সিগন্যাল মিথ্যা বলে মার্কেটে বা ট্রেডারদের সাথে প্রতারনা করে পাইস এক দিকে যায় পরে অন্য দিকে ঘুরে যায়, মানে রিভার্স করে। পিনবার মিথ্যা বলে ট্রেডারদের ট্রাপে ফেলায় যা আমাদের সতর্ক করে যে মার্কেটে প্রচুর পরিমানে লট ব্যাবহার হচ্ছে যা মার্কেটকে অন্য দিকে ঘুড়িয়ে নে। একটি পিনবার তখনি বেস্ট কাজ করবে যখন তার স্টিক পাশের সব গুলো ক্যান্ডলকে ছারিয়ে যাবে এবং খুবি পরিস্কার হবে। খুবই বড় এবং পরিস্কার পিনবার শক্তিশালী এবং অনেক সম্ভাবনাময়ী হয়ে থাকে তখন, যখন তা গঠন হয় সঠিক এরিয়াতে।
 
এই টাইপের সিগন্যালকে অনেক সম্ভাবনাময়ী সিগন্যাল প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের জন্য।
যেই পিনবার গুলো ছোট এবং পরিস্কার নয় সেখানে আমদের ট্রেড করা উচিৎ না।
 
একটি পিনবারে যা থাকতে হবে;
 
  • ওপেন এবং ক্লোজ আগের ক্যান্ডলের মধ্যে হতে হবে,
  • ক্যান্ডলের লওয়ার শেড ৩গুন বড় হবে ক্যান্ডলের বডী থেকে,
  • দীর্ঘ শেড থাকবে যা অন্যান্য বার গুলোকে ছারিয়ে যাবে,
 
নিচে উধারন দেয়া হল একটি বেয়ারিশ পিনবার এর,
 

পিনবার ট্রেড করা যাবে সব ধরণের মার্কেটে। পিনবারের গঠন হচ্ছে রিভার্স সিগন্যাল। প্রায় আপনি পিনবারকে পাবেন ট্রেন্ড পরিবর্তনের সময়।
 
 
কিভাবে শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ডকে একটি পিনবার আপট্রেন্ডে পরিবর্তন করে দিয়েছে, তা নিচের পিকচারটি দেখলেই বুঝা যায়।
বুলিশ পিনবার গঠন হয়েছে একটি  সাপোর্ট লেভেলে, দ্বিতীয়বার বুলিশ পিনবার তৈরি হওয়ার কারণে এই সাপোর্ট লেভেলটি থেকে মার্কেট বুল হওয়ার প্রবণতা বেরে গেছে।

নিচের পিকচারটি দেখুন,  এখানে একটি কী এরিয়াতে বেয়ারিশ পিনবার হয়েছে। আর আমাদের মেইন ফকাস থাকবে কী এরিয়া গুলোতে সিগন্যাল খোজার।

বুলিশ পিনবার তৈরি করছে ফলস ব্রেক সাপোর্ট লেভেল থেকে, যা আমাদের কনফার্ম করতেছে যে, এখানে পর্যাপ্ত পরিমানে বায়ার আছে, যারা মার্কেটের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম।
 শুধুই কি পিনবার পেলে আমরা ট্রেড করব? নাকি আর অনেক বিষয় আছে?
 
ট্রেডারদের এছাড়াও প্রয়োজন আছে কিছু বিষয়ের;
 
যেমনঃ
  • কথায় ট্রেড করতে হবে পিনবার গঠন হলে
  •  
  • কিভাবে মেনেজ করতে হবে পিনবারের স্টপ লস
  •  
  • কোন পিনবারটি ট্রেড করার জন্য বেস্ট
  •  
  • কিভাবে এন্টার করতে হবে পিনবারে
  •  
  • কিভাবে মানেজ করতে হবে ট্রেডটিকে কতটুকু রিস্ক গ্রহন করা যায় মিনিমাম
  •  
  • কখন টেক প্রফিট নিতে হবে
  •  
  • কখন পিনবার সেটআপে ট্রেড করা জাবেনা
  •  
  • কখন পিনবার ট্রেড করার ভালো সময়
 
আপনারা যদি উপরের সকল বিষয় সম্পূর্ণ  ভাবে মেনে চলেন তবে আশা করা যায়, ইনশাল্লাহ আপনারা ভাল ভাল পিনবার সেটআপ গুলোতে ট্রেড করে প্রফিট করতে পারবেন। 



সফল ট্রেডারদের ৬ টি বৈশিষ্ট্য

সফল ট্রেডার হওয়া সহজ নয়। তার জন্য প্রয়োজন যথেষ্ঠ Dicipline,Patience,Passion এবং আবশ্যক এমন কিছু অভ্যাস যা সাধারন মানুষ সহজে অর্জন করতে পারে না। নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য্ প্রত্যেক সফল ট্রেডারের মাঝে থাকা আবশ্যক যা তাদেরকে সুনিশ্চিত প্রফিটের দিকে নিয়ে যাবে।


AuanRys.png


নিম্নে ছয়টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো, যা সফল ট্রেডারদের মাঝে আছে, আপনিও যদি সফল ট্রেডার হতে চান, আপনাকেও অভ্যাসে আনতে হবে এই ধরনের বৈশিষ্টগুলো:-


১. তারা একটি ট্রেডের উপর ভিত্তি করে কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না

একটি ট্রেড ক্লোজ হওয়ার পর বিভিন্ন ধরনের চিন্তা এবং অনুভতি আপনাকে গ্রাস করতে পারে। আপনার নিরুতসাহিত, বিক্ষিত বোধ হতে পারে। এমনকি একটি ট্রেড লস হওয়ার পরে নিজেকে আশাহীন মনে হতে পারে। অথবা একটি ট্রেড উইনিং এর পরে নিজেকে সুপার ইন্টেলিজেন্ট মনে হতে পারে, মনে হতে পারে আমি ওয়ার্ল্ডের সেরাদের একজন।

সফল ট্রেডার হতে ট্রেডিং সাকসেসের পথে যদি কোন বাধা থাকে, যা আপনাকে অতিক্রান্ত করতে হবে। এটা কোন ট্রেডের ফলাফল থেকে আসতে পারে এবং আবেগের প্রতিক্রিয়ার কারনে হতে পারে। প্রফেশনাল ট্রেডার তার প্রত্যেকটি ট্রেড সম্পাদন করে সাধারনভাবে অন্যান্য ট্রেডের মতই তার নির্দিষ্ট ট্রেডিং ষ্ট্যাটিজি অনুযায়ী। একটি ট্রেডের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সামান্যতম ইমোশন সংযুক্ত হয় না তার ট্রেডিং এর সাথে। এই ইমোশন দুরে রাখা যায় কিছু বিষয মনে রাখার মাধ্যমে:

  • একটি ট্রেডের রেজাল্টই ট্রেডিং সাকসেস নয়, কিন্তু অনেকগুলো ট্রেডের(সিরিজের) মাঝে একটি বড় সিরিজ হিসেবে নির্ধারন করা যায়। আপনার অবশ্যই অবশ্যই যথেষ্ঠ ডিসিপ্লিন থাকতে হবে, ট্রেডটি ষ্ট্র্যাটিজী অনুযায়ী সম্পাদন করার জন্য। যেখানে কোন মানসিক এফেক্ট থাকবে না। যেহেতু একটি ট্রেড বড় একটি ট্রেডিং সিরিজের অংশ, যেখানে পক্ষ নিয়ে খেলা হবে। তাই উচিত প্রতিটি ট্রেড নির্দিষ্ট ডিসিপ্লিন অনুযায়ী সম্পাদন করা।
  • প্রত্যেক ট্রেডে রিষ্ক মেইনটেন্স করতে হবে অথবা নির্দিষ্ট পরিমান ডলার এমাউন্ট ফিক্সট করে নিতে হবে যা আপনার পুর্ব নির্ধারিত রিস্ক এমাউন্ট, যে এমাউন্ট লসের ব্যাপারে আপনার মানসিক প্রস্তুতি আছে, যে এমাউন্ট লস হলে আপনার ব্যালেন্সের উপর কোন বড় ধরনের নেগেটিভ ইফেক্ট পড়বে না এবং আপনার মেন্টালি সেটিসফিকশন থাকবে।


২. তারা যথেষ্ঠ আত্মবিশ্বাসী (কনফিডেন্ট), কিন্তু অযৌক্তিক নয়

সফল ট্রেডার হতে কনফিডেন্স খুবই গুরুত্বপুর্ন। আপনার ট্রেডিং ষ্ট্যাটিজির উপর পরিপুর্ন আস্থা রাখতে হবে এবং এটি ফলো করার এবিলিটি থাকতে হবে, থাকতে হবে পরিপুর্ন ডিসিপ্লিন।

কনফিডেন্স মানে হলো আপনার বিহেভিয়ার হবে আপনার ধারনা করা ট্রেডিং মেথডের অভ্যন্তরীন এরিয়ার মধ্যে।যার ধরুন আপনি সত্যি সত্যি আপনার ডিসিপ্লিন অনুযায়ী অপেক্ষা বা অবস্থান করতে পারবেন। এভাবে আপনি অনেকগুলো ট্রেডর মাঝে(ট্রডিং সিরিজ)প্রফিটেবল হবেন।

কনফিডেন্স হলো, যখন আপনার একাধিক ট্রেড একাধারে লসের সম্মুখিন হবে,তখন আপনি সেকেন্ড কোন থিংক করবেন না, সেকেন্ড কোন ট্রেডিং মেথড নিয়ে ভাববেন না। আপনি অটল আপনার ট্রেডিং মেথডের সাথে এবং কন্টিনউ ট্রেড করে চলেছেন একই মেথডে, রক্ষা করে চলেছেন নির্দিষ্ট রুলস।আমি উপরে উল্লেখ করেছিলাম যে, আপনি কোন একটি ট্রেডের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারবেন না এর মানে হলো আপনার যথেষ্ঠ কনফিডেন্স আছে এবং আপনি ওভার ট্রেডিং এর প্রেরোচনা কে আগ্রহ্য করতে পেরেছেন। আপনার কনফিডেন্স আছে যে,আমি নিজেকে রক্ষা করতে পারবো ঝুকিপুর্ন খারাপ ট্রেডগুলো থেকে, যেসব জায়গায় দুর্বল মনের ট্রেডেররা আবেগের বশবতী হয়ে একাউন্টকে ঝিরো করে থাকে। যদি আপনি আপনার মনকে বিলিভ করতে না পারেন,আপনাকে এর মাশুল দিতে হবে, খুব সহজেই আপনার দুর্বলতা শীকারে পরিণত হবে।

কনফিডেন্স হলো, আপনি জানেন যে আপনার ট্রডিং স্ট্র্যাটিজি কি এবং প্রকৃতপক্ষে আপনি মার্কেটে কি খুজিতেছেন। আপনি জানেন যে, কখন একটি হায় কোয়ালিটি ট্রেডিং সেটআপ আসে যেখানে আপনার মানিকে রিস্ক হিসেবে নিচ্ছেন।

একমাত্র তখনই আপনি এই কনফিডেন্স অর্জন করতে পারবেন যখন আপনি আপনার নির্দিস্ট ট্রডিং স্ট্র্যাটিজি অনুযায়ী নিয়মিত অধ্যাবসায় করবেন। শিখতে থাকবেন কিভাবে একটি পরিপুর্ন ট্রেড করা যায়, যা একটি সলিড ট্রেডিং এডুকেশন থেকে সম্ভব।


৩. “কিছুদিন যাবত কিছুই হচ্ছে না” সফল ট্রেডাররা এটাকে কিছুই মনে করে না

সফল ট্রেডাররা মনে করে মার্কেটের ভিতরে বেশি থাকা অপেক্ষা মার্কেটের বাইরে থাকা বেশি ভাল। তারা রপ্ত করেছে কিভাবে ধৈর্যের প্রতীক হতে হয় এবং তারা বুঝেছে যে ধৈর্যই হলো লাভজনক। সর্বদা মার্কেট চষে বেড়িয়ে আপনি টাকা বানাতে পারবেন না বরং ধীরে ধীরে নিজেকে ক্ষতির দিকে ধাবিত করবেন।

আপনি প্রফিট করতে পারবেন সুন্দর একটি প্ল্যানের দ্বারা যেখানে আছে একটি ভাল রিস্ক রিওয়ার্ড এবং আপনার ফেভারে কাজ করার হাই প্রোভালিটি। সর্বদা মার্কেটে চষে বেড়ানো উচিত নয়,কারন আপনি যদি করেন,আপনি জাষ্ট গেম্বলিং করছেন। যদি আপনি কেছিনোতে কোন একটি গেম্বলিং এর ব্যাপারে জানেন, আপনার ফেভারে আসার সম্ভাবনা খুবই কম যদি না আপনার কোন একশন নেওয়ার মেথড থাকে। ট্রেডিং এর ক্ষেত্রেও কোন পার্থক্য নেই, যদি আপনার ট্রেডে পরিপুর্নভাবে ষ্ট্র্যাটিজি ব্যবহার না করেন,মুলত আপনি আপনার এগনেষ্টে ট্রেড করলেন।

এভাবে নিজের এগনেষ্টে বা জোর করে ট্রেড না করে যদি একটি ভাল ট্রেডের জন্য ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করতেন এবং যা প্রতিদিন আসে না এমনকি সপ্তাহ....।এই সময়টা আপনি মার্কেটের বাইরে থাকেন,কিছুই না করেন,বা অন্য কিছু করেন মুবি দেখেন,ঘুরতে যান,গেম খেলেন বা অন্য কোন জব করেন।এটাই আপনার জন্য মঙ্গলজনক হবে।
সফল ট্রেডাররা এই একদিন, এক সপ্তাহ.. অপেক্ষা করাকে কিছুই মনে করেন না। তারা অকাতরে ধৈর্যের সাথে অপেক্ষা করে একটি ভাল সেট আপের জন্য।


৪. তারা রাতে ভাল ঘুমায়

ঘুম খুবই গুরুত্বপুর্ন সব কিছুর জন্য এমনকি ট্রেডের জন্যও । ঘুম আপনার ব্রেইন এবং শরীরকে বিশ্রাম দেয় যা ট্রেডিং সাকসেসের জন্য গুরুত্বপুর্ন সহায়ক।

এছাড়াও আপনি যদি প্রোপারলি ট্রেড করে থাকেন, অতিরিক্ত রিস্ক না নিয়ে থাকেন,ওভার ট্রেডিং না করে থাকেন, ডিসিপ্লিনের সাথে আপনার ট্রেডিং প্ল্যান অনুসরন করে থাকেন তবে ট্রেড চালু রেখে ঘুমাতে যেতে আপনার কোন সমস্যা হবে না,আপনার কোন উদ্বেগ সৃষ্টি হবে না।

যদি আপনি সারারাত জেগে বসে থাকেন এবং ট্রেড খুজতে থাকেন, তাহলে আপনি লস করলেন আপনার মুল্যবান ঘুম এবং স্টুপিড ট্রেডিং মিসটেকের ভাল একটি চান্স তৈরি করলেন। বিছানায় যান এবং ঘুমান মাকের্ট আজ আছে আগামিকালো থাকবে,আগামিতে এর থেকে আরও ভাল সুযোগ পেতে পারেন।


৫. তারা ট্রেডিং ভালবাসে কিন্তু এডিকটেড নয়

তারা চার্ট নিয়ে কথা বলতে,রিসার্চ করতে ভালবাসে এবং অন্যান্য ট্রেডারদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস নিয়ে কিন্তু, এটি হলো বড় কিন্তু তারা ট্রেডিং এ এডিকটেড না। ট্রেডিং ভালবাসি বলতে যেটা বুঝায় আপনি ভালবাসেন ডিসিপ্লিন,পেশন্স, আপনি ভালবাসেন চার্ট অবজারভেশন যতক্ষন না একটি ভাল সেটআপ আসে। একজন ভাল ট্রেডার ট্রেডিং ভালবাসে কিন্তু সেটাকে নয় যা তাকে জটিল করে তুলে এবং মার্কেটের দিকে এডিকটেড করে দেয়। কারন তারা জানে ট্রেডিং সাকসেস হলো ডিসিপ্লিন এবং পেসন্স এর ফল।


৬. তারা ক্রমাগত ট্রেডিং সম্পর্কে শিখতে থাকে এবং নিজের সম্পর্কে জানতে থাকে

যে কোন পাকা ট্রেডার আপনাকে বলতে পারে যে, ট্রেডিং হলো নিজেকে কন্ট্রোল করার চুড়ান্ত পরীক্ষা,তার সাথে আমি একমত পোষন করছি। যদি আপনি সিদ্বান্ত নিয়ে থাকেন যে আপনি ট্রেডার হবেন তাহলে আপনি শুধু মার্কেট এবং প্রাইস একশন শিখতে যায়েন না, সেই সাথে প্রচুর জানেন এবং শিখেন নিজের সম্পর্কে। সফল ট্রেডারদের হতে হয় সেলফ-কন্ট্রোলের মাস্টার এবং লজিক্যাল বিষয়বস্তুর থিংকারস যেটা অর্জন করা বেশিরভাগ মানুষের জন্য কঠিন হয়,সেই সাথে এই লাইনে টাকা উপার্জনের কঠিন চেষ্টা ।

সুতরাং আপনি যদি সফল ট্রেডার হতে চান,নিজের সম্পর্কে বেশি বেশি জানেন,সেলফ কন্ট্রোলের মাষ্টার হউন যা সত্যি আপনার ট্রেডিং স্ট্র্যাটিজির সাথে সংযুক্ত। আপনি কখনোই থেমে যাবেন না বা ছেড়ে দিবেন না মার্কেট এবং নিজের সম্পর্কে শিখা যতদিন পর্যন্ত আপনি ট্রেড করবেন।

৩টি কারণে অধিকাংশ ট্রেডার ফরেক্সে তাদের প্রথম ডিপোজিট লস করে

দুঃখজনক হলেও সত্য অধিকাংশ নতুন ট্রেডার ফরেক্সে তাদের প্রথম ডিপোজিটটি লস করে ফেলেন। অধিকাংশ বললে বলা ভুল হবে, আমার জানামতে প্রায় সকল ট্রেডারই তাদের প্রথম ডিপোজিটটি সম্পূর্ণ লস করে ফেলেছে। আমি নিজেও লস করেছি। আমার বন্ধুরা লস করেছে। আমি যাদেরকে চিনি ফরেক্স ট্রেড করে, কম-বেশি সবাই লস করেছে। এবং আমি এমন কাউকে চিনি না, যে দাবি করেছে সে ফরেক্সে প্রথম ডিপোজিট ফান্ড লস করেনি। তাই থিওরি অফ প্রবাবলিটি অনুসারে আপনিও প্রথমবার লস করে ফেলবেন তা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।


79yrvP4.png

 
কেন লস হয়?

সবাই লস করে বলে যে আপনিও লস করবেন এমন কোন কথা নেই। কিন্তু বেশিরভাগ ট্রেডারই নতুন ট্রেড শুরু করার পর কিছু কমন ইমোশনাল স্টেজের মধ্যে দিয়ে যায় বলেই তারা লস করে বসে। এর মধ্যে প্রধান ৩টি কারণ রয়েছে যে কারণে বেশিরভাগ ট্রেডার তাদের ১ম ডিপোজিট লস করে।

১. খুব দ্রুত রিয়েল ট্রেডে চলে আসাঃ

ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কে জানার পরেই বেশিরভাগ ট্রেডার কাছে মনে হয় তাদের সামনে বিপুল পরিমান প্রফিট করার অমুল্য দুয়ার খুলে গেছে। তাই তারা খুব উত্তেজিত হয়ে পরে কবে থেকে রিয়েল ট্রেড শুরু করবে। কয়েকটা ডেমো ট্রেডে প্রফিট হলেই বেশিরভাগ ট্রেডার ভেবে বসেন তারা রিয়েল ট্রেডের জন্য উপযুক্ত হয়ে গেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ ট্রেডের এটাই জানেনা যে তারা আসলেই কি জানে না। অনেক ট্রেডারই মনে করে অল্প কিছু ডলার দিয়ে একটু চেষ্টা করে দেখি কেমন প্রফিট হয়। যার ফলশ্রুতিতে অল্প জ্ঞ্যান নিয়েই ফরেক্স মার্কেটে এসে তারা লসের মুখোমুখি হয়।

২. টিকে থাকার জন্য ট্রেড না করা

বেশিরভাগ নতুন ট্রেডার লাভ করার জন্যই ট্রেড করে থাকে, টিকে থাকার জন্য ট্রেড করে না। আপনি হয়তো বলবেন, মানুষ তো লাভ করার জন্যই ফরেক্স ট্রেড করতে আসে, তাহলে দোষটা কোথায়? দোষটা হল, আমরা যখন একটি ট্রেড দেই, তখন সবাই লাভ করার আশাতেই দেই, তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু ট্রেড দেয়ার সময় কি আমরা মাথায় রাখি যে ট্রেডটি যদি আমাদের বিপরীতে যায়, তবে এর ফলাফল কি হতে পারে? আমাদের অ্যাকাউন্টের কি পরিমান লস হতে পারে? ধরুন আমার অ্যাকাউন্টে $৫০০ ডলার আছে। এখন যদি আমি এমন একটি ট্রেড দেই যে ১০০ পয়েন্ট লাভ হলে আমার আরও $৫০০ ডলার লাভ হবে, আর ১০০ পয়েন্ট লস হলে আমার ক্যাপিটাল $৫০০ ডলার পুরোপুরি লস হয়ে যাবে, তবে সেই ট্রেডটি দেয়া কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? তাই যখন ট্রেড দিব আমরা, তখন মাথায় অবশ্যই রাখতে হবে যে আমাকে কিন্তু টিকে থাকতে হবে। ১ দিনের জন্য ট্রেড করতে আসিনি। তাই একদিনে অনেক প্রফিট করে ফেললেই যে বড়লোক হয়ে যাব তা কিন্তু না। তাই নিরাপদ ট্রেড দিতে হবে। অ্যাকাউন্ট যাতে শূন্য হয়ে না যায়। কোনভাবেই অ্যাকাউন্ট বড় ধরনের লসের মুখোমুখি হতে পারে এমন ট্রেড দেয়া যাবে না, তাতে যতই লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকুক না কেন। বেশিরভাগ ট্রেডার ফরেক্স ট্রেড করতে আসে খুব বেশি প্রত্যাশা নিয়ে। তাই তাদের লাভের টার্গেটও হয় অনেক বেশি। মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে সবাই কম-বেশি জানেন। কিন্তু প্রথম দিকে খুব কম ট্রেডারই তা মেনে থাকে। টিকে থাকতে হলে মানি ম্যানেজমেন্ট করা অত্যাবশ্যকীয়।

৩. অন্ধভাবে সিগন্যাল অনুসরন করা এবং রিভেঞ্জ ট্রেডিং

ট্রেড করতে গিয়ে বড় ধরনের লস করে ফেললেন। ভাবলেন যে করেই হোক এই লস রিকভার করতেই হবে। এরপরেই পেলেন ভালো একটি ট্রেডের সুযোগ। ভাবলেন বড় লটেই ট্রেড দিয়ে দেই, আগের সব লস পুষিয়ে নেই একটু ঝুঁকি নিয়ে। এই ট্রেডও গেলো ভাগ্যের বিপরীতে। ব্যাস অ্যাকাউন্ট জিরো, কিংবা হল বড় ধরনের লস। রিভেঞ্জ ট্রেডিং করতে গিয়ে এ ধরনের লসে পরার অভিজ্ঞতা হয়নি এমন ট্রেডার বুঝি কমই আছেন। এবং বেশিরভাগ ট্রেডারের প্রথম ডিপোজিট শূন্য হয় এই রিভেঞ্জ ট্রেড করতে গিয়ে। তাই যেকোনো মূল্যেই এ ধরনের রিভেঞ্জ ট্রেডিং থেকে দূরে থাকতে হবে যদি আপি আপনার অ্যাকাউন্টকে টিকিয়ে রাখতে চান। এছাড়া ফরেক্স ট্রেডিং এর শুরুতে নামকরা তথাকথিত এক্সপার্ট ট্রেডার বা সিগন্যাল ওয়েবসাইটগুলোর দেয়া ট্রেডিং সিগন্যালগুলো অন্ধভাবে অনুসরন করা থেকে বিরত থাকুন। আমাদের নিজেদের করা অ্যানালাইসিস আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, কিন্তু অন্যের দেয়া সিগন্যাল আমাদেরকে বিভ্রান্ত করে, অতিরিক্ত কনফিডেন্স এনে দেয় এবং আমরা সেকারণে বড় ধরনের রিস্ক নিয়ে বসি ট্রেড করতে গিয়ে।


পরিসংখ্যান বলে ৯৫% নতুন ট্রেডার তাদের প্রথম ডিপোজিটটি ফরেক্সে লস করে। এর মূল কারণ এটা নয় যে তারা মার্কেট অ্যানালাইসিস করতে পারে না। এর আসল কারণ হল তারা কিছু ছোট ছোট ভুল করে। এবং আপনি যদি মনে করেন আপনি সেই ৯৫% দের মধ্যে না থেকে ৫% সফল ট্রেডারদের মধ্যে থাকতে চান, তবে ফরেক্স লাইফের প্রথমদিকেই বেশি প্রফিট করার দিকে মনযোগ না দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট টিকিয়ে রাখার ওপর মনোনিবেশ করুন। কারণ আপনি যদি টিকে থাকতেই না পারেন, প্রফিট কিভাবে করবেন?

প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডিং শিখুন পর্ব ৩

 
M0XomqS.png
ট্রেডাররা প্রায় খুজতে থাকে এমন একটি প্রাইস অ্যাকশান সিগন্যাল বা ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন যা তাদেরকে রাতারাতি ঐশ্বর্য এনে দেব,তারা ফেল রিয়েলাইজ তখনই করবে যখন তারা প্রাইস অ্যাকশান ট্রেড করার সময় KEY লেভেল খুঁজে পাবেনা সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সে।যদি কোন ট্রেডার চার্টে সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স হতে KEY লেভেল নির্ণয় না করতে পারে, তবে সে যত কিছু করেছে ট্রেড করার জন্য তার সব কিছুই বৃথা হয়ে যাবে।
অনেক প্রাইস অ্যাকশান শিক্ষক তাদের ছাত্রদেরকে শিক্ষা দেয় কিভাবে ধরতে হবে সব থকে বেস্ট প্রাইস অ্যাকশান এন্ট্রি ক্যান্ডেলটিকে।এর মানে এই দাঁড়ালো এই ধরণের শিক্ষকরা তাদের ছাত্রদেরকে সম্পূর্ণ প্রাইস অ্যাকশান স্টোরি না শিখায় না, শুধুমাত্র  চার্টের শেষ ক্যান্ডেলটি নির্ণয় করতে শিখায়।
উধাহরন; আমরা একটি এন্ট্রি ক্যান্ডেল হিসাবে পিনবারকে নিবো। এই পিনবারটি শক্তিশালী প্রাইস অ্যাকশান রিভারসাল সিগন্যাল হতে পারে তখনই,যদি তাকে প্যালেস করা হয় রাইট প্রাইস অ্যাকশান স্টোরিতে।যখন এই পিনবারকে আমরা প্যালেস করবো ভুল স্টোরিতে তবে এটি আপনার ট্রেডের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে সে তার কাছাকাছি সাপোর্ট বা রেজিস্টান্সের দিকে যাওয়া শুরু করবে।

পিনবার রাইট এরিয়া

পিনবার রং এরিয়া
প্রাইস অ্যাকশান স্টোরি পড়ুন

সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স তৈরি করতে পারে প্রাইস অ্যাকশান স্টোরিকে। প্রত্যেকটি চার্ট দেখলে চার্টগুলো আমাদেরকে কিছু বলতে চায়। চার্টগুলো কি বলতে চায় তা আমাদেরকে শিখতে হবে,একজন ট্রেডার হিসাবে এটিই আমাদের চাকুরী।চার্ট থেকে আমরা অনেক কিছুই শিখতে পারি।
যেমন;
  • -সেখানে কি কোন সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স জোন আছে?
  •  
  • -প্রাইস কি কোন কী এরিয়া ব্রেক করার জন্য যুদ্ধ করছে?
  •  
  • -প্রাইস কি কোন ফ্রেস হাই বা লো তৈরি করছে?
  •  
  • -প্রাইস কি রিটাচ করতেছে কোন এরিয়াতে বা ইন্টারেস্টেড জায়গায় ?
  •  
  • -প্রাইস কি কোন রিভারসাল সিগন্যাল তৈরি করতেছে?
  •  
  • -প্রাইস কি কোন কন্টিনিউ সিগন্যাল তৈরি করতেছে?
  •  
  • -প্রাইস কি কোন রেঞ্জ বা বক্সে আটকে আছে?
  •  
  • -এই মাত্র রেঞ্জ বা বক্স এরিয়া থেকে বের হয় প্রাইস কি কোন বিস্ফোরণ ঘটাতে চাচ্ছে উপরে বা নিচের দিকে? 
যে কোন ট্রেড করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হল প্রাইস অ্যাকশান স্টোরি। এন্ট্রি হচ্ছে শেষ ক্যান্ডেল যেটি আমাদের কনফার্ম ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে থাকে যে কোন ট্রেডে। যদি কোন ট্রেডার ট্রেড করে প্রাইস অ্যাকশান স্টোরি সম্বন্ধে কোন নলেজ ছারাই তবে সে তার প্রফিট করার সম্ভাবনাকে নিজের হাতে বাঁধা দিচ্ছে।
উধাহরন; একটি পিনবার রিজেক্ট করলো কী রেজিস্টান্স লেভেলকে যেটি আছে ট্রেন্ডের সাথে তবে সেই ট্রেডটির জিতার সম্ভাবনা খুবই বেশী থাকে। অন্য দিকে একজন ট্রেডার একটি পিনবারে ট্রেড করলো যে কিনা প্রাইস অ্যাকশান স্টোরি কি বলে মার্কেটে এর কিছুই জানেনা।
আশা করি বুঝে গেছেন তার ট্রেডের কি অবস্থা হতে পারে।
উইনিং ট্রেড তৈরি করা ও কেক বানানো

উইনিং ট্রেড তৈরি করার জন্য অনেক কিছু যোগ করতে হয় এবং অনেক পরিমানে স্তর থাকে এবং সব গুলোকে একসাথে মেশাতে হয়, ঠিক কেক বানানোর মত। যদি আপনি কেক তৈরি করতে যান তবে আপনাকে কেক বানানোর সকল উপাদানকে মিশাতে হবে একসাথে যা আপনার কেকটিকে অনেক সুন্দর এবং সুস্বাদু বানিয়ে দিবে। ঠিক একইভাবে ট্রেডিং এর সময় প্রাইস অ্যাকশান সিগন্যাল কাজ করে প্রাইস অ্যাকশান স্টোরির সাথে।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর যোগ করা এবং মিক্স করা অনেক কোয়ালিটির উপাদান যা আপনার প্রডাক্টকে বেস্ট প্রডাক্ট হতে সাহায্য করবে। যদি আপনি ট্রেড করেন শুধুমাত্র এন্ট্রি ক্যান্ডেল নিয়ে তবে আপনার ট্রেডটি উইনিং হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায় এবং সাথে এটি নিচু মানের ট্রেড হিসাবে গন্য হয়ে থাকে।অন্য দিকে এন্ট্রি ক্যান্ডেলটি যদি থাকে শক্তিশালী ট্রেন্ডের মধ্য,কী সাপোর্ট বা রেজিস্টান্সের মধ্যে, কী সুইং লেভেলে এবং ফিবোনাসি লেভেলের সাথে তবে আপনি পাচ্ছেন অনেক বেটার প্রাইস অ্যাকশান স্টোরি এবং অনেক বেশী সম্ভাবনাময় উইন হওয়ার এমন একটি ট্রেড।
গুরুত্বপূর্ণ নোট;  সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স মানে সোজা কোন লাইন নয়, তারা হতে পারে লেভেল,এরিয়া বা জোন।
সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স মার্ক করা- টিউটোরিয়াল
ট্রেডিং এর জন্য সহজ ও সাধারণভাবে সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স মার্ক করাই হল সব কিছুর থেকে বেস্ট। ফরেক্স ট্রেডিং আসলে অনেকভাবেই করা যায়। কিন্তু আমার ট্রেডিং অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আমি অনুভব করেছি যে, সহজ ও সাধারণভাবে ট্রেড করাই হল সত্যিকার অর্থে বেস্ট।
ডেইলি চার্ট

আমার সমস্ত চার্ট সেটআপ ডেইলি চার্টে এনালাইসিস করা । এই কারণে খুবী সহজে ডেইলি চার্ট হতে সরাসরি ছোট ছোট টাইম ফ্রেম
৪ঘণ্টা,৮ঘন্টা,১২ঘন্টা বা অন্যন্য টাইম ফ্রেম গুলোতে আমার ডেইলি চার্টে মার্ক করা সাপোর্ট ও রেসিস্টান্স লেভেল গুলোতে ট্রেড করে থাকি।
আমি সাধারণত রবিবার রাতে আমার চার্ট গুলোতে সাপোর্ট এবং রেসিস্টান্স লেভেল মার্ক করে ত্থাকি ডেইলি চার্টে ।
আমি প্রায় ৪০টির বেশি পেয়ার দেখে থাকি, তার মধ্যে  ফরেক্স ছাড়াও কিছু ইন্ডিক পেয়ার আছে । 
এই লেভেল গুলো মার্ক করার পিছনে অনেক কারণ  থাকতে পারে, যেমন; প্রাইস লেভেল থেকে মুভ ব্যাক করতে পারে, ব্রেকআউট করতে পারে, নতুন ট্রেন্ড গঠন করতে পারে, ইত্যাদি ইত্যাদি যে কোন ট্রাডিং এর সুযোগ পাওয়ার আশায় মূলত লেভেল গুলো তৈরি করা ।
গুরুত্বপূর্ণ কথা;  কথা গুলো আমাকে নিয়ে বললেও মুল উদ্দেশ্য ছিল আপনাদেরকে বুঝানো।
শুধুমাত্র ২টি লেভেল
আমি একটি চার্টে শুধুমাত্র ২টি সাপোর্ট ও রেজিস্টান্স লেভেল আঁকি। আমি বুঝিনা কেন মানুষ এলোমেলোভাবে তার চার্টে ২০টি সাপোর্ট ও রেজিস্টান্স লেভেল আঁকছে, তাও আবার যেখানে ইচ্ছা সেখানে। সাধারণ নিয়ম হল; আমি শুধুমাত্র প্রাইসের উপরে একটি এবং নিচে আরেকটি লাইন আঁকবো, যদি তাদের মধ্যে যে কোন একটি ব্রেক করে, তবে আমি আমার চাহিদা অনুযায়ী নতুন লেভেল আঁকবো। খুবই সহজ ও সাধারণভাবে করতে হবে, কোন প্রয়োজন নেই আবর্জনা দিয়ে আপনার সম্পূর্ণ চার্ট ভর্তি করে ফেলার।
এতে আপনি প্রাইস অ্যাকশান এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ গুলোকে ঢেকে রাকলেন নিজের অজান্তেই। 
ডেইলি মার্ক করা লেভেল থেকে ইন্টার-ডে সিগন্যালে ট্রেড করুন 
ছোট ছোট টাইমফ্রেমে যারা ট্রেড করে থাকে তারা বেশী সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল ব্যাবহার করে থাকে। এই কারনে গুরুত্বপূর্ণ লেভেল গুলোকে না দেখে কম গুরুত্বপূর্ণ লেভেলকে তারা গুরুত্ব দিয়ে থাকে।এই কারনে সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল মার্ক করতে হবে ডেইলি চার্টে এবং পরে সেই লেভেল গুলোতে ট্রেড করতে হবে। মার্ক করা লেভেল গুলো যে কোন টাইমফ্রেমে চার্টের গ্রেট এরিয়াতে ট্রেড সব সময় ট্রেড করতে সাহায্য করবে।
মনে করেন আপনি ৪ঘণ্টার টাইমফ্রেমে ট্রেড করে করে থাকেন, তাহলে আপনাকে ডেইলি চার্টে প্রথমত নির্ণয় করতে হবে কী লেভেল এবং পরে আপনি আবার ৪ঘণ্টার চার্টে ইন্টার-ডে চার্টে চলে আসবেন সেই লেভেল গুলোতে প্রাইস অ্যাকশান সিগন্যাল ধরার জন্য। আপনি ডেইলি চার্টে যে দুটি কী লেভেল মার্ক করেছেন তার মাঝখানে ট্রেড করবেন না। কারন মাঝখানটাকে বলে নো ম্যানস ল্যান্ড বলে, ইন্টার-ডে চার্টে নো ম্যানস ল্যান্ডে ট্রেড করা খুবই বিপদজনক হতে পারে ইন্টার-ডে ট্রেড করলে।
তাই শুধুমাত্র আপনি ইন্টার-ডে ট্রেড করবেন আপনার মার্ক করা ডেইলি এরিয়াতে।
উধাহরন চার্ট;
নিচের ডেইলি চার্টে ২টি লেভেল মার্ক করা আছে। আপনি লক্ষ্য করেন একটি লেভেল প্রাইসের উপরে অন্যটি প্রাইসের নিচে।এই দুটি লেভেল মার্কেটের মধ্যে অনেক পরিস্কার সাপোর্ট ও রেজিস্টান্স লেভেল, তবে প্রাইস কিন্তু মুভ করতে যে কোন দিকে উপরে বা নিচে। এই লেভেল ২টি কিন্তু কী সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স এরিয়া। ডেইলি চার্টে লেভেল মার্ক করার পর আমারা চলে যাবো ৪ঘণ্টার চার্টে বা ইন্টার-ডে চার্টে আত্মবিশ্বাসের সাথে ট্রেড করবো সেই কী লেভেলগুলোতে যতদিন না পর্যন্ত ট্রেড সিগন্যাল পাই সেই ডেইলি কী লেভেল গুলোতে।

নিচের উদাহরণ চার্টটি ও উপরের চার্টটি একই পেয়ার ও একই লেভেল মার্ক করা আছে, কিন্তু পার্থক্য হল টাইম ফ্রেমে, নিচেরটি ৪ঘন্টার টাইম ফ্রেম ।
এই  চার্টটি হাইলাইট কী  লেভেল যা  আমাদেরকে দেখাচ্ছে যে, ডেইলি চার্ট থেকে ৪ঘন্টার চার্টে  এই লেভেল গুলো বেশী রিস্কপেক্ট পাচ্ছে । ঠিক এই লেভেল গুলো থেকে যদি আপনি কোন সিগন্যাল পান তবে তার প্রফিট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে ।
কারণ আপনি যেই লেভেল গুলোতে ট্রেড করছেন সেই লেভেল গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ । 
আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করুণ; নো মেন্স ল্যান্ড; এর মানে হল এই জায়গায় কোন গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া নেই, তাই এই জায়গায় সিগন্যাল পাইলে বা ট্রেড করলে  লস হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে, আর এই এরিয়া গুলোকে বিপদজনক এরিয়া হিসাবে ধরা হয় ।
গুরুত্বপূর্ণ নোট;  সুতরাং আপনাদেরকে  সুইং হাই সুইং লো,  কী সাপোর্ট ও রেসিস্টান্স লেভেল, কী সিগন্যাল ইত্যাদি বিবেচনা করে ট্রেড করতে হবে ।

এই পদ্ধতিটি আপনি ইন্টার-ডে টাইমফ্রেমে ট্রেড করার জন্য ব্যাবহার করতে পারবেন। যেমন; ৮,৬,৪,২,১ ঘণ্টায় বা এর থেকে আরো কম টাইমফ্রেমে।

প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডিং শিখুন পর্ব ২

অনেক ট্রেডার আছে যারা জানে তাদের উচিৎ ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করা, কিন্তু তারা প্রায় তাদের ট্রেড করার জন্য সঠিক ট্রেন্ড খুজে পায়না।
ziAp80c.png
নিচের এই দুটি সাধারণ কারনে ট্রেডাররা ট্রেন্ডের বিপরীতে প্রায় ট্রেড করে থাকে।
  • যারা  জানেনা কিভাবে ট্রেন্ড আইডেন্টিফাই করতে হয়।
  • যারা  মার্কেটের তলানি ও সরবচ্চ উঁচু ধরতে ভালোবাসে, মানে মার্কেটের টপ ও বোটম ধরতে পছন্দ করে।
কিভাবে নির্ণয় করবেন একটি পরিস্কার ট্রেন্ড
সাধারণত ট্রেডাররা প্রথম যে ভুলটি করে থাকে তা হল, তারা যখন ট্রেন্ড নির্ণয় করতে যায় তারা চিন্তা করে যে ফরেক্স পেয়ার গুলো সব সময় ট্রেন্ডে থাকে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন, প্রাইস সব সময় ট্রেন্ডিং মুডে থাকেনা। বেশীরভাগ সময় প্রাইস রেঞ্জ,বিবেচনায় ও এলোমেলো মুডে সময় কাটায়।
অন্য প্রান্তের ট্রেডাররা কঠিনভাবে সংগ্রাম করে থাকে কতদূর পর্যন্ত তারা তাদের চার্ট দেখতে পারে, তাদের কোনটি দেখা উচিৎ লং,মিডিয়াম বা শর্ট ট্রেন্ডটি। বেশীরভাগ চার্টে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে একটি অভারোল ট্রেন্ডের মধ্যে অনেক ছোট ছোট ট্রেন্ড রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন হল প্রাইস কি শুধু রিটাচ করবে লংটার্ম ট্রেন্ডের মধ্যে?বা কি শুধু নতুন ট্রেন্ড গঠন হবে?
এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রত্যেক ট্রেডারকে তারা কি ধরণের টাইমফ্রেম ব্যাবহার করে থাকে ট্রেড করার জন্য। আমি এখানে একটি পদ্ধতি শেখাবো যা হল, আমরা শুধু ট্রেড খুঁজবো একটি সুইং পয়েন্ট হতে পরের সুইং পয়েন্ট পর্যন্ত। আমরা মেজর সুইং খোঁজার জন্য মার্কেটের লাস্ট ৪সপ্তাহ এবং মাস দেখবনা,কিন্তু অবশ্যই ট্রেড দেখবো একটি সুইং লেভেল হতে নেক্সট লেভেল পর্যন্ত। এটা মনে রাখুন,আমাদের ফেভার অনুযায়ী আমরা শুধুমাত্র শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড দেখবো। আমরা আমাদের চার্টকে জুমিং করবোনা বেশী, যা নির্ধারণ করা আসে তাই রাখব,জাতে শুধুমাত্র ক্যান্ডলগুলো পরিস্কার বোঝা যায়, কারন আমরা লং-টার্ম ট্রেন্ড ট্রেড করতে চাইনা।আমরা কি টার্মের চার্ট দেখবো উধাহরনস্বরূপ নিচে দেয়া হল।এই চার্টটি হল একটি হায়ার আপট্রেন্ড এবং একটি সুইং লো গঠন করছে পরবর্তী হাই তৈরি করার জন্য। এই সকল শর্ট-টার্ম সুইং ট্রেন্ডের মধ্যে পাওয়ার জন্য ট্রেডারদের প্রয়োজন শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড দেখা।
একটি বেস্ট ট্রেন্ডে ট্রেড করার জন্য ট্রেন্ডকে শক্তিশালী এবং পরিস্কার দুটোই হতে হবে।ধরুন; আপনি চার্ট দেখছেন,প্রাইস শক্তিশালী ভাবে যে কোন একদিকে মুভ করছে হায়ার বা লোয়ার। যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে এখানে একটি শক্ত ট্রেন্ড আছে,তবে সেখানে কোন ট্রেন্ড না হওয়ার চান্স বেশী থাকে। যদি কোন ৫বছরের পুরনো ট্রেন্ড শক্তিশালী এবং পরিস্কার থাকে তবে তা পয়েন্ট আউট করা করা যায় সহজে। এই ধরণের সিম্পিল ট্রেন্ডগুলো উৎপাদন করে বড় ধরণের উইনিং ট্রেড তা আবার লয়েস্ট রিস্কে।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ;  প্রত্যেকটি টাইমফ্রেম চার্টে আপনার প্রয়োজন আলাদা আলাদা এনালাইসিস এবং ট্রেড করা। উদাহরন;জদি আপনি ট্রেড করেন ৪ঘন্টার চার্টে,তবে আপনি আছেন ৪ঘন্টার চার্টের ট্রেন্ডে,আপনি ডেইলি চার্টের ট্রেন্ডে ট্রেড করবেননা বা দেখবেননা কি হচ্ছে ডেইলি চার্টে। এটি খুবই গুরুত্বপুরন।প্রত্যেকটি চার্টের নিজস্ব ট্রেন্ড রয়েছে।সাপ্তাহিক চার্টের ট্রেন্ড সম্পূর্ণরূপে আলাদা হবে ৪ঘন্টার চার্টের থেকে।
তাই প্রত্যেকটি চার্টকে আলাদা আলাদাভাবে ব্যাবহার করতে শিখুন।
কিভাবে আমরা ট্রেন্ডের পরিবর্তন ধরতে পারবো ?
একটি খুবই বিশ্বাসী মেথড যেটি ট্রেডারদেরকে ট্রেন্ডের পরিবর্তন ধরতে সাহায্য করে থাকে,প্রাইস অ্যাকশান হিসাবে আমরা তাকে ১,২,৩ প্যাটার্ন নামে চিনি।
এই প্যাটার্নটি বিশেষ করে ব্যাবহার হয়ে থাকে শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্যে,এবং ট্রেডারদেরকে ট্রেন্ডের রাইট সাইডে শর্ট-টার্ম সুইং এ ট্রেড করতে সাহায্য করে থাকে।
অনেক ট্রেডার ট্রেন্ড রিভারসাল নির্ণয় করার জন্য মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করে থাকে। মুভিং এভারেজ পাস্টের হিস্টোরিক প্রাইসে বিল্ট করা,তাই মার্কেট রিভারসাল হওয়ার অনেক পরে মুভিং এভারেজ সিগন্যাল দিয়ে থাকে। যদি আপনি প্রাইস অ্যাকশান ব্যাবহার করেন তবে আমি নিশ্চিত যারা ইনডিকেটর ব্যাবহার করে তাদের অনেক আগেই আপনি ট্রেন্ড ধরতে পারবেন। 

ব্যাবহার করুন ১,২,৩ প্যাটার্ন ট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্য 
এই প্যাটার্নটি খুবই সিম্পিল কিন্তু অনেক কার্যকর,পরবর্তী ট্রেন্ড কি হবে তা জানার জন্য এটি আমাদের শো করে অর্ডার ফ্ল। এই প্যাটার্নটি সম্বন্ধে যদি জানতে পারেন তবে দেখবেন যে প্রাথমিক একটি রিভারসাল কনফার্ম হয় থাকে শুধুমাত্র ফ্রেস হাই এবং ফ্রেশ লো দ্বারা।
আমাদের ফার্স্ট স্টেপ হচ্ছে রিভারসালের জন্য ১,২,৩ প্যাটার্নের ১ম লেগটি খুঁজে বের করা।উধাহরনস্বরূপ; যদি আমরা একটি আপট্রেন্ডে থাকি,তবে ১ম লেগটি নতুন একটি লোয়ার লো তৈরি করবে।প্যাটার্নের ২য় লেগটি প্রাইসকে রিটাচ করবে কিন্তু নতুন ফ্রেস হাই তৈরি করতে পারবেনা,এর পরিবর্তে সে একটি লোয়ার হাই তৈরি করবে যা আগের হাই প্রাইসকে ব্রেক করতে পারেনি।এতকিছুর পর কিন্তু আপট্রেন্ড বিদ্যমান আছে যতক্ষণ না পর্যন্ত লেগ ৩ কনফার্ম হচ্ছে। প্যাটার্নের লেগ৩ যদি প্রাইসকে আবারো নিচের দিকে নিয়ে যাবে,এবং যদি সে তার আগের লোয়ার লোকে ব্রেক করে নতুন লোয়ার লো তৈরি করে তবে ১,২,৩ প্যাটার্নটি কনফার্ম হবে।
বুঝলাম আপনারা  কনফিউজ হয়ে গেসেন,কিন্তু নিচের প্রাইস অ্যাকশান চার্টটি দেখলে সব কিছু আপনাদের পরিস্কার হয়ে যাবে। ধরুন একটি আপট্রেন্ড ছিল, যার ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়েছে ১,২,৩ প্যাটার্নের মাধ্যমে। ১ম লেগটিতে হাইলাইট হয় যে প্রাইস নতুন একটি লোয়ার লো তৈরি করছে। ২য় স্টেপে সিদ্ধান্ত নেয়াটা একটু কঠিন। যদি ২য় লেগে প্রাইস নতুন হাই তৈরি করতে পারে তবে ট্রেন্ড কন্টিনিউ হবে,আর যদি না পারে তবে ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।প্যাটার্নের শেষ লেগ যেটি প্রাইসকে আবার নতুন একটি লো প্রাইস তৈরি করার জন্য নিচে নিয়ে যাবে,যদি সে তার আগের লোয়ার প্রাইসকে ব্রেক করে নতুন লোয়ার প্রাইস তৈরি করতে পারে তবে কনফার্ম  ট্রেন্ড পরিবর্তনের সিগন্যাল দিচ্ছে।  

১,২,৩ প্যাটার্ন ব্যাবহার করা হয় একই সাথে আপট্রেন্ড বা ডাউনট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্য।উপরের উধাহরনটি ছিল আপট্রেন্ড থেকে ডাউনট্রেন্ড পরিবর্তনের।নিচের  উধাহরনটি হল এর বিপরীত,ডাউন্ট্রেন্ড হতে আপট্রেন্ড পরিবর্তন।এই রিভারসালটিতে আমাদের প্রয়োজন নতুন হায়ার হাই তৈরি করা,সেটিকে অনুসরণ করে নতুন হায়ার লো তৈরি হবে এবং নতুন আরেকটি হায়ার হাই হাই তৈরি করে কনফার্ম করবে যে ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়েছে।
নিচের চার্টটি দেখুন;

কথায় এন্টার করবেন ট্রেন্ডের (চরম সিদ্ধান্ত)
আমাদেরকে প্রথমে ভেলু এরিয়া এবং সঠিক সুইং পয়েন্ট খুঁজে বের করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত অনেক ট্রেডার প্রতিদিন এন্টার করে মার্কেটের ভুল সাইডে।
যাই হোক; উধাহরন; যদি প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তবে আপনাকে ভেলু এরিয়া খুঁজে বের করতে হবে এবং অপেক্ষা করবেন আপনার ভেলু এরিয়ায় মার্কেট রিটাচ করবে এবং নতুন লো তৈরি করবে, যা আপনাকে একটি সুন্দর সুইং পয়েন্ট দিতে পারে ট্রেড করার জন্য।
সকল মার্কেটে প্রাইস উপরে নিচে মুভ করে। কোন মার্কেটে সরাসরি উঠতেই বা নামতেই থাকেনা।প্রাইস কন্টিনিউ মুভ করার জন্য তার প্রয়োজন নতুন অর্ডার। যদি প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তবে তাকে কন্টিনিউ উপরে মুভ করার জন্য কিছুটা নিচে নামতেই হবে। অর্ডার ফ্ল আমাদেরকে জানায় যে’ আপট্রেন্ডের লো থেকে হাই পর্যন্ত যেই ট্রেডারগন প্রফিটে ছিল তারা তাদের প্রফিট হাই প্রাইসে নিয়ে বের হয় যায়, যার ফলে মার্কেটে বাই অর্ডার কম থাকার কারনে মার্কেট নিচে নামতে সুরু করে এবং নতুন লো তৈরি করে।যদি এই লো পয়েন্টে নতুন বাই অর্ডার পাওয়া যায় তবে প্রাইস আবার উপরের দিকে যেতে সুরু করে, মানে আপট্রেন্ড কন্টিনিউ হতে থাকে। এই পদ্ধতিটি আপট্রেন্ড ডাউনট্রেন্ডে একই ধরণের কাজ করে থাকে।
নিচের চার্টে আপট্রেন্ডে প্যাটার্নটি দেখলে বিস্তারিত বুঝতে পারবেন। আপনি লক্ষ্য করুন প্রাইস ধারাবাহিক ভাবে উপরের দিকে মুভ করার জন্য কিছুটা নিচের দিকে রোটেট করেছে এবং পরে প্রাইস কিন্তু ঠিকই কন্টিনিউ করেছে আপট্রেন্ডের সাথে। সুইং লো খোঁজার জন্য এটি হচ্ছে সেই রটেশন লোয়ার যা ট্রেডারদেরকে খুজে বের করতে হবে টাদের ভেলু এরিয়া থেকে।






একই সাথে সব গুলোকে রাখুন
ফাইনাল স্টেপ যখন আপনি ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করবেন তখন অবশ্যই দেখবেন অনেক সম্ভাবনাময় সেটাপগুলো,যা তৈরি করবে একটি নিয়মতান্ত্রিক এন্ট্রি। অনেক সম্ভাবনাময় প্রাইস অ্যাকশান রিভারসাল সেটাপগুলো নিচে দেয়া হল;

-একটি পিনবার রিভারসাল 

-এংলাফ বার রিভারসাল

-২ বার রিভারসাল প্যাটার্ন
আমি আশা করি আপনারা এনজয় করেছেন এই আর্টিকেলটি,এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনারা ট্রেড করবেন অনেক সম্ভাবনাময় সেটআপগুলোতে এবং কম রিস্কে। আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা  থেকে বলতেছি ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করতে শিখুন,যদি এর বিপরীতে করেন তবে আপনার ট্রেডিং জীবনের মড় ঘুরে যেতে পারে, যা কখনই সুখকর হবেনা।